হায়েনা ।। নিজাম কুতুবী

Saturday, April 30, 2011

একবার একটি হায়েনার ইচ্ছে হয়েছিল মানুষের সঙ্গে বসবাস করতে। হায়েনাটি মানুষের মত করে মানুষের রূপে মানুষের শহরে বসবাস পাততে চেয়েছিল। হায়েনাটি সেই উদ্দেশ্যে পাতালপুরি থেকে হাজার মাইল পথ-ঘাট-নদী মাঠ পেরিয়ে হাজির হলো একটি মানুষের শহরে। এই শহরে এসে সে দেখতে পেলো, কিছু মানুষ একজন মানুষের পদার্পনের অপেক্ষা করছে। লোকটির আগমনের বার্তায় ফুলের পাঁপড়ি ছিটাচ্ছে তার পদপ্রান্তে। ঠিক এমুহুর্তে হাজির হলো একটি লাল মোটর কার। চারদিক থেকে চারজন ছুটে এসে দরজা খুলে দিল। লাল মোট গাড়ি থেকে বের হলো লাল পোশাকে আচ্ছাদিত একটা লাল মানুষ। হায়েনাটির মনে হলো, মানুষটির পরনে কোন কাপড় নেই। তার কোন হৃদয়ও নেই। হয়ত মানুষটি কোন দিন সূর্যের আলো দেখেনি। জোস্নারাতও তার নজর কাড়েনি। চাঁদের আলোয় ভেজেনি তার শরীর। মানুষটি হেঁটে হেঁটে একটি বিরাট অট্টালিকায় প্রবেশ করলো যা আকাশ ছুঁয়েছে। মানুষটা একটা উঁচু আসনে বসলো যা মানুষের হাড় আর খুলি দিয়ে তৈরী।
আরো একটু পরে হায়েনাটি একটা রোমহর্ষক দৃশ্য দেখল। অট্টালিকার ভেতর একটা খুঁটিতে একজন মানুষ বাঁধা আর পাশেই রাম-দা হাতে দাঁড়িয়ে আছে আর একটা মানুষ। মানুষটা রাম-দার এক কোঁপে বাঁধা লোকটার একটা হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলল। আকাশ বাতাস কেঁপে উঠলো তার আর্তচিৎকারে। কাটা হাতের দিকে তাকিয়ে লাল মানুষটা তা কামড়াতে শুরু করল। হায়েনাটি ভয়ার্ত চোখে দৃশ্যটি দেখে নিজের মনে বলে উঠল, “আমার অনেকদিন মাংস খাওয়া হয়নি, আর এখানে মানুষ মানুষের মাংস খাচ্ছে।”
হায়েনাটি অস্থির হয়ে ছুঁটতে লাগল। ছুঁটতে ছুঁটতে থমকে দাঁড়ালো মাঝপথে-কতগুলো মানুষ একজন লম্বা চুলের মানুষকে রাস্তা দিয়ে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাচ্ছে। লম্বা চুলের মানুষটার বসন আলগা হয়ে পড়েছে। কালো পিচের রাস্তায় বয়ে গেছে রক্তের চোপ। লম্বা চুলের মানুষটার আর্তনাদ ঢেকে গেলো মানুষগুলোর আদিম উল্লাসে। হায়েনাটির প্রাণ হাঁসহাঁস করতে লাগল। সে প্রাণপণে ছুঁটতে লাগল। তার চোখে বিস্ময় ও প্রশ্নের চিহ্ন। শহরের শেষ প্রান্তে এসে হায়েনাটি নিজের দাঁত দিয়ে মাটি খুঁড়তে লাগল এবং একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, “আমার স্বজাতি অনেক উত্তম ছিল। এসব দানব মানুষদের কীর্তিকলাপ দেখে বেঁচে থাকতে লজ্জা হচ্ছে। তাই কবর খুঁড়ছি।”

বিস্ময় ।। গাজী গিয়াস উদ্দিন

বিস্ময়
গাজী গিয়াস উদ্দিন

অথই জলরাশির হাবুডুবুর পাশে যে আশ্রয় ও নিরাপত্তা
দাবানলের দাউদাউর পাশে অক্ষত থেকে
মনুষ্যত্বহীন পশুত্বের অভিশাপের পাশে এ পবিত্রতা
হিংস্র শ্বাপদ সংকুল ভয়ংকর ছোবল থেকে
সুনামির মতো মহাদূর্যোগের আশংকায়

আমার জীবন ও কর্মের এ সুরক্ষা এ নিরাপদ বিস্ময়;
শৈশব থেকে বার্ধক্যের দিকে কালের এ শ্লথ গতি
চির জীবন যৌবনের এ স্বপ্নদোল আকাংখা যুবতী
জায়াপুত্র আত্মজা সহায় সম্মান প্রাচুর্য ঐশ্বর্য প্রতিযোগিতায়
বসবাসের সকল রোদ বৃষ্টি সবুজ বেষ্টিত প্রার্থনার কসমঃ
আমি তৃপ্ত আপ্লুত, আমি বিস্মিত অভিভূত হরদম।
আমি শুণ্য আমি প্রকান্ড আমি মানুষ ও দৌতার মহাধন
সুরের মাঝে অসুরের বিরুদ্ধে
আমি মৃত্যুকে করি আলিঙ্গন।
১৮/০৩/১১

ঝড়ের দিনে বিদ্যুৎ কর্মী ।। তাজুল ইসলাম

ঝড়ের দিনে বিদ্যুৎ কর্মী
তাজুল ইসলাম

ঝড়ো দিনের ঝড়ো হাওয়া, গুড়ুম গুড়ুম ডাক
আমায় ডেকে বলে,ওরে নাওয়া-খাওয়া রাখ ।

নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে, প্রস্তুত হয়েছি যেই
চারদিকে সবই আছে,তবু কি যেন কি নেই ।

বন্ধ হলো কলকারখানা,বন্ধ লাইট-ফ্যানএবার লড়াই করতে হবে,লড়াই ধ্যান-জ্ঞান ।

মুচকি হাসে গাছপালা আর বৃষ্টি ঝড়ো হাওয়া
অনেক লড়াই করে গেল,সমস্যাটাকে পাওয়া ।

সমাধানটা করার পরে যা ছিলোনা এলো
আমার গায়ে ময়লা কাপড়,চুল এলোমেলো ।

কেউবা হাসে,কেউবা বলে,কে করে এই কাজ?
আমিও হাসি, ভালবাসি এটাকেই খুব আজ ।

স্বাধীনতা ।। শারমিন সুলতানা

স্বাধীনতা
শারমিন সুলতানা


স্বাধীনতা স্বাধীনতা
যারা আনলো ভাই,
তাদের কাছে সালাম আমার
পৌঁছে দিতে চাই।

স্বাধীনতা আনতে গিয়ে
রক্ত দিল যারা,
তাদের জন্য দোয়া করি
যারা সর্বহারা।

স্বাধীনতার জন্য যারা
দিল তাদের প্রাণ,
তাইতো মানুষ গেয়ে যায়
তাদের ত্যাগের গান।

তারেক রহমান'র দু'টি কবিতা

একটি ফুল

একটি ফুল ফুটল যখন
ডাকলো দূরের পাখি
একটি শিশুর ঘুম ভেঙ্গেছে
মেলে দু’টি আঁখি।

সূর্যি মামা উঠে যখন
ছড়িয়ে দিলো আলো
ভোরের আলো উঠলো হেসে
দূর হলো সব কালো।

একটি ফুল ফুটলো যখন
সবুজ পাতার আড়ে
উঠলো কেঁদে ছোট্ট শিশু
বদ্ধ ঘরের দ্বারে।


একটি ফুল ফুটলো যখন
জাগলো ভ্রমর মাছি
কাজের মানুষ লাগছে কাজে
এসে কাজে কাজে।


আমাদের গ্রাম

আমার কেবল ইচ্ছে করে
বিলের ধারে থাকতে,
ধানের ক্ষেতে লুকিয়ে থেকে
পাখির মত ডাকতে।
ধানের ওপর ঢেউ খেলে
যায় বাতাস কাহার দেশে,
যে দেশেতে ভোরের
দোয়েল কিছি মিছি ডাকে।
যখন ঘুরে দাঁড়াই বাতাসের মধ্য খানে
তখনি বাজে কানে একটি সাড়া,
মা আমার ঢেঁকিতে ধানভানে।
ধান ক্ষেত ঘেরা সীমাহীন মাঠে মাঠে
এই সব ছোট ছোট গ্রাম।
কই মাছ কান বেয়ে ওঠে যায়
ভাসমানো পুকুর থেকে জল ভরা মাঠে,
আমরা সবাই জানি ছোট বেলা থেকে।
সবুজ ধানের ক্ষেতে পাকা ফসলের গন্ধ,
যে ক্ষেত আমরা দেখেছি বহু দিন ভরে।
সোনালী ধানের পাশে অসংখ গ্রাম
আমাদের এই সোনার দেশ,
সোনার ধান জন্মালো এই সব গ্রামে,
এই গ্রাম আমার জম্ম ভূমি।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য : হারিয়ে যাচ্ছে পালকি ।। জহির রহমান

চিরায়ত গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের ধারক পালকি আর চোখে পড়ছে না। পালকিও কোন কোন খানদানি বাড়িতে অচল হয়ে পড়ে আছে। কিংবা মিউজিয়াম পিস হয়ে কালের স্থানু সাক্ষী হয়ে আছে জাদুঘরে। বেহারাদের সুর করে সেই কিনু গোয়ালার গলি ঘুরে মাঠ প্রান্তর পেরিয়ে গন্তব্যের কাছে দূর থেকে সেই ছয় বেহারাদের আর দেখা যাচ্ছে না। তাদের ছন্দিত লয়ে হাঁটার সাথে সাথে এ গাঁও থেকে ওগাঁয়ে নাইয়র, বিয়ের কনে-বর কিংবা মান্যগণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার এ চক্রবিহীন যান সম্ভবত তার অন্তিম প্রহর গুনছে।

ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্র নাথ দত্তের ভাষায়, রবীন্দ্রনাথের কবিতায়, হেমন্তের গানে কিংবা ভূপেন হাজারিকার মাদল মাদক তানে চলা পালকি এখন ঐতিহ্যের খাতায় নাম লেখাচ্ছে। সেই ন্যাংটা পুঁটো ছেলেটা আর বলে না পালকি চলে, পালকি চলে ঃ আদুল গায়ে যাচ্ছে কারা — যাচ্ছে কারা হনহনিয়ে।
রবি ঠাকুরের ’বীরপুরুষ’ কবিতার খোকা তার মাকে পালকিতে নিয়ে যাওয়ার সময় লড়ে না ডাকাতের সাথে যখন ওরা আসে তেড়ে ‘হারে রে রে’ বলে। সেই ভীষণ যুদ্ধের বর্ণনাও দিতে পারে না মাকে। মাও বলতে পারেন না , ভাগ্যে খোকা ছিল তাঁর সাথে। দাদা তার সদ্য বিয়ে হওয়া দিদিটিকে আর বলে না, এ কটা দিন থাক না দিদি , কেঁদে কেটে কঁকিয়ে, দুদিন বাদে তো নিয়েই যাবে পালকি করে সাজিয়ে। ‘মৈমনসিং গীতিকার’ দেওয়ানা মদিনাও ছুটবে না পালকিতে আবের পাংখা নিয়ে আর।

পালকি বহরের আর সেই পরিচিত দৃশ্য এখন আর দেখা যায় না। আধুনিক যোগাযোগের গোগ্রাসে পালকি হারিয়ে যাচ্ছে বিস্মৃতির অতল তলে প্রাচীন বাংলার এ বাহনটি। আসলে পালকি নামটির উৎপত্তি ফারসি ও সংস্কৃত – উভয় ইন্দোভারতীয় ভাষা থেকে আর সেই সাথে ফরাসি থেকেও। সংস্কৃতে পলাঙ্কিকা। 


পল্লীকবি জসিমউদ্দীন তাঁর স্মৃতিকথায় এ গাঁও থেকে ওগাঁওয়ে যাওয়া বেহারাদের পালকি নিয়ে চলার যে বিবরণ দিয়েছেন তা আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের অংশ। বিলুপ্ত প্রায় এ পালকি এখন নানা জাদুঘরে শোভা পাচ্ছে।

এককালে নদীনালা কম এরকম কিছু জেলা যেমন যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, মাদারিপুরসহ বিভিন্ন জেলায় ৫০’ -৬০’-এ দশকেও অনেক পালকি চোখে পড়তো। বিশেষ করে বিয়ে বাড়িতে নব বরবধূ আনা নেয়ায় পালকি ব্যবহার করা হতো। চক্রযানের বিপ্লবে পালকির জায়গা করে নেয় ছৈওয়াল নকশী গরু গাড়ি। আর আধুনিকোত্তর এই যুগে জায়াগা দখল করে নিয়েছে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস। হালে লাঙ্গল যেমন গ্রামেও অচল তেমনি ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলে নানা অনুষ্ঠানে ব্যবহার করছে কার আর মাইক্রোবাস। এ যানের রমরমা ব্যবসাও একই কারণে জমে উঠেছে। 

ছড়ায় বলা হয়েছে বউ সাজবে কালকি, চড়বে সোনার পালকি! না সোনার বরনীকন্যা এখন আর পালকির বদ্ধ পরিবেশে যাবে না, উঠবে আসল বা নকল ফুলে সাজানো ফুলেল এয়ারকন্ডিশন্ড কারে।

জানা অজানা- ১

* তুমি চোখ খুলে কখনোই হাঁচি দিতে পারবে না। বিশ্বাস না হলে এক্ষুণি চেষ্টা করে দেখা।

* তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে!

* অক্টোপাসকে কি হৃদয়বান বলা যায়? ওর দেহে যে তিনটি হৃৎপিণ্ড আছে!

* ১০০ বছর আগেও বোর্নিওতে মানুষের মাথার খুলি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

* একটি পোকাখেকো ফ্যালকন পাখি তোমার চেয়েও চোখে বেশি দেখে। সে আধামাইল দূর থেকেই একটা ফড়িংকে ঠিক ঠিক শনাক্ত করতে পারে।

* অতীতে রোমান সৈন্যরা বিশেষ এক ধরনের পোশাক পরত। এই পোশাকটাই এখন মেয়েদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। পোশাকটার নাম স্কার্ট।

* ডলফিন একচোখ খোলা রেখে ঘুমায়। তুমিও একটু চেষ্টা করে দেখো, সম্ভব কি না।

* তুমি কি জানো, এক পাউন্ড বিশুদ্ধ তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব!

* আমাদের ত্বকের প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ৬২৫টি ঘামগ্রন্থি আছে। ওগুলো এতো সূক্ষ্ম যে তুমি গুনে দেখতে চাইলেও পারবে না।

* পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমাণ লবণ আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট পুরু লবণের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে।

* গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো! চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!

* জলের হাতি বা জলহস্তি পানির নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে।

* ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে।

* কাঠঠোকরা এতো যে কাঠ ঠোকড়ায় তাতে ওর মাথা ব্যথা হয় না? না, হয় না। কারণ কাঠঠোকরার খুলির চারপাশে অনেকগুলো বায়ু প্রকোষ্ঠ আছে, যা নরম কুশনের কাজ করে।
ভালুক অলস হলে কি হবে, সে প্রতি ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার (৩০ মাইল) গতিতে দৌড়াতে পারে।

* তুমি তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাও। কিন্তু জানো কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়?।

* পৃথিবীর ওজন কতো জানো? ৬৬-এর ডানপাশে ২০টি শূন্য বসালে যে সংখ্যাটি হয় সেটাই পৃথিবীর ওজন। এবার নিজেই হিসেব করে দেখো।

* গিরগিটির জিহ্বার আকার তার শরীরের চেয়েও বড়। যতো বড়ো মোবাইল নয় তত বড় সীম, আর কি!

* একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমাণ বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহণ করে তা দিয়ে একটি নয় ১০০০টি বেলুন ফোলানো সম্ভব।

* ২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট ২২৪৯ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট জয় করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন প্রায় ১৮৬ জন।

গ্রন্থণায়: জ. রহমান
সূত্র : ইন্টারনেট

আই কিউ- মে'২০১১

আই কিউ মে'২০১১
১। যদি একটি শার্ট শুকাতে ১০ মিনিট সময় লাগে তবে ১০টি শার্ট শুকাতে কত সময় লাগবে ?
(ক) ১০ মিনিট (খ) ৪০ মিনিট (গ) ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট (ঘ) ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট।
২। নিচের কোন জন অন্যদের থেকে আলাদা ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(গ) আল মাহমুদ (ঘ) সুকুমার রায়।
৩। সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই হতে হবে-
(ক) রসিক (খ) পরিশ্রমী (গ) বাধ্য (ঘ) ধনী।
৪। পল্লী কবি বলা হয় কাকে ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) ফররুখ আহমদ (গ) সুকুমার রায় (ঘ) জসীম উদ্দিন।
৫। ডাব না খেলে কি হয় ?

আইকিউ এপ্রিল’১১ এর সমাধান ঃ
(১) ৬টি
(২) টাকাটা পুড়ে ফেলবেন
(৩) ১৭ টি
(৪) প্রেসার বেড়েছে
(৫) ডিম (বাচ্ছা জন্মানোর আগেই আমরা খেয়ে ফেলি। বিরাম চিহ্নের প্রতি আরো বেশি যতœবান হতে হবে)

তিনটির সঠিক জবাব দিয়েছেন-
পূর্ণিমা আক্তার, তারেক হোসেন, সাজিয়া আক্তার সীমা, আবদুস সালাম, মোবারক উল্যা ত্বোহা, আনোয়ার হোসেন, ইমরান মুহাম্মদ, আসমা আক্তার, চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। উম্মে হানি, নতুন বাজার, রায়পুর, আরজুন নাহার (মিতু), হাফিজুর রহমান আকাশ, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাহেদুল ইসলাম রাজু, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। হাঃ মোঃ আবদুল্লাহ, আবদুর রহীম, মোঃ শাকিল হোসেন, মোঃ কাউসার হোসেন, রাছেল হোসেন, সোহাগ হোসেন, কেরোয়া, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। রবিউল ইসলাম,     সোলায়মান কবির, উম্মে হাবিবা মুমু, দেনায়েতপুর, রায়পুর লক্ষ্মীপুর। হাফেজ মোঃ আব্বাস আলী, রামগতি, লক্ষ্মীপুর। সাকিল ইসলাম, এম এম এ কাদের একাডেমী, কেরোয়া, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। কামরুল হাসান, সাহেবগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

দু’টির সঠিক জবাব দিয়েছেন-
শারমিন সুলতানা, রায়পুর কামিল মাদ্রাসা, রায়পুর, ওসমান গণি ফাহিম, মীরগঞ্জ রোড, রায়পুর, নাইমুর রহমান খান নিবিড়, রায়পুর, লক্ষ্মীপুুর,  জহিরুল ইসলাম জেপু, চরলক্ষ্মী, রায়পুর, আরমান হোসেন শান্ত, রায়পুর, ফাহিম মাহমুদ, কলেজ রোড মিয়া বাড়ি, রায়পুর, মুজাহিদুল ইসলাম, রায়পুর, ফারাজানা আক্তার, রায়পুর, স্বপ্না, চরপাতা, রায়পুর, তানজিল হোসেন, চরপাতা, কামরুল হাসান, চরপাতা, ইমাম হোসেন, চরপাতা, মেহেদী হাসান, রায়পুর, রহিমা বেগম, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

আই কিউ এপ্রিল’১১ ভাগ্যবান বিজয়ী-
১। উম্মে হানি, নতুন বাজার, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।
২। হাঃ মোঃ আব্বাস আলী, রামগতি, লক্ষ্মীপুর।
৩। সাজিয়া আক্তার সীমা, পূর্ব চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

অভিনন্দন আপনাদের। আপনাদের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে আমাদের সৌজন্য উপহার।

“আই কিউ মে’১১” সমাধান পাঠান ২০ মে’র মধ্যে।

এখন অনলাইন বন্ধুরা চাইলে আইকিউ সমাধান পাঠাতে পারেন-
jaherrahman@gmail.com ঠিকানায়। আর অবশ্যই আপনার নাম, ঠিকানা, এবং আইকিউ মে'২০১১ লিখতে হবে।

হাসির বাকসো

* এক ক্লান্ত পথিক গৃহস্থের বাড়ি উপস্থিত হয়ে পানি চাইল। একটি মাটির পাত্রে করে তাকে দুধ দেয়া হলো। পথিক তো মহা খুশি। এক চুমুকেই অর্ধেকটা দুধ সাবাড় করে দেবার পর সে শুনতে পেল পাশ থেকে একটি ছোট ছেলে তাকে বলছে “কুত্তার  চাটা দুধ কেমন লাগে”!! এ কথা শোনার পর পথিকটি রেগে আগুন হয়ে মাটির পাত্রটি ছুড়ে ফেলে দিল। পাত্রটি মাটিতে পরে ভেঙ্গে যাবার পর ছেলেটি চিৎকার করে বলে উঠল “দাদী দেইখ্যা যাও ব্যাটায় তোমার থুথু ফালানোর বাটি ভাইঙ্গা ফালাইছে”। 
সংগ্রহে : রাছেল আল ইমরান
এম এম এ কাদের একাডেমী,
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

* শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন-
শিক্ষক : রূপম, বলতো বিবিসি'তে কি হয় ?
রূপম : স্যার, বিবিসিতে বেলা বিস্কুট কোম্পানী।
শিক্ষক : ভারী বেয়াদব ছেলেতো !
রূপম : স্যার, আপনারটাও ঠিক স্যার।
সংগ্রহে : এম. জে. এইচ জাকির
সহকারী শিক্ষক, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ,
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।
* শিক্ষক ক্লাসে ঘুমাচ্ছেন। হঠাৎ স্কুল পরিদর্শক মহোদয় বিদ্যালয়ে হাজির। তিনি দেখলেন শিক্ষক ক্লাশে ঘুমাচ্ছেন। শিক্ষক ঘুম থেকে জেগে স্কুল পরিদর্শক মহোদয়কে দেখে বললেনÑ এটাকেই ঘুম বলে।
সংগ্রহে : সাহেদুল ইসলাম (রাজু)
রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ,
সহকারী শিক্ষক, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

* এক গাঁয়ের এক চোর একটা সাইকেল চুরি করে বাজারে নিয়ে গেল বিক্রি করতে। এক টাউট লোক এসে সাইকেলটা দরদাম করল কিছুক্ষণ।
তারপর ‘দেখি তোমার সাইকেলটা কেমন চলে’ বলে সাইকেলে চড়ে প্যাডেল মেরে একেবারে হাওয়া।
শুকনো মুখে বাড়ি ফিরছিল চোর। গাঁয়ের যারা তাকে সাইকেল বিক্রি করতে নিয়ে যেতে দেখেছিল তারা জানতে চাইল, কি সাইকেল বিক্রি করে কত লাভ হলো?
চোর বলল, লাভ হয়নি; যে দরে কিনেছিলাম সেই দরেই বেচেছি।

* শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটা বের করে রাখে কেন?
ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে।

* এক লোক হোটেলের সাইনবোর্ড দেখে খুব খুশি হয়ে ইচ্ছেমতো খেলেন।
ওয়েটারঃ স্যার, আপনার বিল ৫০০ টাকা।
লোকটাঃ কী বলছেন ভাই? আমার বিল? কিন্তু আপনাদের সাইনবোর্ডে যে লেখা, ‘আপনি যা খাবেন আপনার নাতি তা শোধ করবে।’
ওয়েটারঃ সেটা না হয় না দিন। কিন্তু এই ৫০০ টাকা দিন। এটা আপনার নানা খেয়ে গেছেন। 
সংগ্রহে : ফাহমিদা তাসনীম রীমা
চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

* তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ননা করছে।
প্রথম বন্ধুঃ "জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।"
দ্বিতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্ণমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।"
তৃতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।"
* বিচারক ও আসামীর মধ্যে কথোপকথন হচ্ছে।
বিচারকঃ তুমি জান মিথ্যে বললে কী হবে?
আসামীঃ আজ্ঞে হুজুর, নরকে যাব।
বিচারকঃ সাবাস! আর সত্য বললে?
আসামীঃ মামলায় হেরে যাব।
সংগ্রহে : সোলায়মান আহসান নীরব
চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।






 
Support : Dhumketo ধূমকেতু | NewsCtg.Com | KUTUBDIA @ কুতুবদিয়া | eBlog
Copyright © 2013. Edu2News - All Rights Reserved
Template Created by Nejam Kutubi Published by Darianagar Publications
Proudly powered by Dhumketo ধূমকেতু